বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদুয়ায় কলাবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃ”ত্যু রাঙ্গুনিয়ায় এক দিনে সাড়ে ৫ হাজার গাছের চারা রোপণ কাপ্তাই সড়কে প্রতিরাতেই ঝুঁকি নিয়ে চলে অতিরিক্ত উচ্চতার ট্রাক, ছিঁড়ল বিদ্যুতের তার তিন দশকের পাঠদান শেষে বিদায়, সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত অধ্যাপক মহসিন শাসনের নামে নির্যাতন, এ কেমন শিক্ষা? রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জসীমের মৃ’ত্যু মরিয়মনগরের ব্যস্ত সড়কে স্পিডব্রেকার, অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন রাজানগরে কাটা হচ্ছে পাহাড় আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি কামনায় দেবীর আরাধনায় ভক্তরা আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা: বর্ষাবাস শেষে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়

মাল্টা-ডাব ডেঙ্গুর চিকিৎসা নয়, এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংসের পরামর্শ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

ডেঙ্গু হলে মাল্টা বা ডাবের পানি খাওয়া যেতে পারে, তবে এগুলো ডেঙ্গুর চিকিৎসা নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। জ্বর হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি অন্তত তিন দিনে একবার পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন বলেন, ডেঙ্গু হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। এ সময় পর্যাপ্ত তরল পান করা জরুরি। ডাবের পানি বা মাল্টা খাওয়া যেতে পারে, তবে এগুলো ডেঙ্গুর চিকিৎসা নয়। পানিশূন্যতা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওরস্যালাইনসহ প্রয়োজনীয় তরল গ্রহণ করা উচিত।

তিনি বলেন, বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, ড্রাম, পরিত্যক্ত পাত্রসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই এসব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। অন্তত তিন দিনে একবার জমে থাকা পানি অপসারণের পরামর্শ দেন তিনি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এস এম ইকরাম হোসাইন সোহেল বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু রোগীর চিকিৎসা করলেই হবে না, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হবে। বাড়ি ও আশপাশে কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত দেখতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সময় ছোট পাত্র, ফুলের টব, ফেলে রাখা প্লাস্টিকের সামগ্রী কিংবা নির্মাণাধীন স্থানে অল্প পানি জমে থাকে। এসব স্থানেও এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই তিন দিন পরপর জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা দরকার।’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, আবাসিক এলাকা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আশপাশে পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে নজর দিতে হবে।

ডা. ইসমাইল হোসেন বলেন, জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। তাই বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং তিন দিনে একবার জমে থাকা পানি পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews