আব্বাস হোসাইন আফতাব :
রাঙ্গুনিয়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে থাকায় পৌর এলাকার মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন নাগরিকেরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন করে তিনজন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে ১২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া নতুন করে দুজনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিডি ক্লিনের মাধ্যমে হুমাম কাদের চৌধুরী এমপি খাল পরিষ্কার অভিযান শুরু করেছেন। উপজেলা প্রশাসনও রাজনৈতিক নেতারা বিভিন্ন এলাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স (ইউএইচসি) সূত্রে জানা গেছে, রাঙ্গুনিয়ায় ডেঙ্গুর হট জোন হিসেবে মডেল থানার আশপাশের এলাকা, পুুর্ব বেতাগী, ইছাখালি জলদাশপাড়া ও পৌর এলাকার সৈয়দবাড়িকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকা, নালা-নর্দমা অপরিষ্কার থাকা ও ঝোপঝাড়ের কারণে মশার উপদ্রব বেড়েছে। বিশেষ করে বাসাবাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে।
নাগরিকেরা বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সচেতনতামূলক প্রচার নয়, নিয়মিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও প্রয়োজন। হট জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দিয়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি নালা-নর্দমা পরিষ্কার করা দরকার।
রাঙ্গুনিয়া পৌর এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, ওয়ার্ডভিত্তিক মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করে নিয়মিত ওষুধ ছিটাতে হবে।