বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের তবলাশিল্পী এবং সাংবাদিক শ্রী অর্ণব মল্লিক মাস্টার্স (ব্যবস্থাপনা) ফাইনাল পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেছেন। শিক্ষা, সংগীত ও সাংবাদিকতা—তিনটি ভিন্ন অঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে তাঁর এ অর্জনে পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
অর্ণব মল্লিকের পিতা কেপিএমের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবুল কুমার মল্লিক এবং মাতা গৃহিণী রিপু মল্লিক। তাঁদের সন্তান অর্ণব মল্লিক পড়াশোনার পাশাপাশি সংগীত ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছেন। তবলাশিল্পী হিসেবে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশাতেও তিনি সক্রিয় রয়েছেন।
পেশাগত দায়িত্ব পালন, সংগীতচর্চা ও সাংবাদিকতার ব্যস্ততার মধ্যেও উচ্চশিক্ষা চালিয়ে গেছেন অর্ণব মল্লিক। নানা ব্যস্ততার মধ্যেও পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ, নিয়মিত অধ্যয়ন, অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি মাস্টার্স (ব্যবস্থাপনা) ফাইনাল পরীক্ষায় সফলতা অর্জন করেন।
তাঁর এ সাফল্যকে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও আত্মনিষ্ঠার ফল হিসেবে দেখছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তাঁদের মতে, কর্মজীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ধরে রেখে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে সংগীত ও সাংবাদিকতার মতো সৃজনশীল অঙ্গনে সক্রিয় থেকে শিক্ষাজীবনে সাফল্য অর্জন তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত।
অর্ণব মল্লিকের সাফল্যের খবরে তাঁর পরিবারে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পিতা বাবুল কুমার মল্লিক ও মাতা রিপু মল্লিকের জন্যও সন্তানের এ অর্জন গর্বের বিষয়। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সাংবাদিক সহকর্মী, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সহযোদ্ধা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা প্রকাশ করেন, উচ্চশিক্ষায় এ সাফল্যের পর অর্ণব মল্লিক শিক্ষা, সংগীত, সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন। তাঁর মেধা, প্রতিভা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি সমাজ ও সংস্কৃতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন তাঁরা।
‘চলমান রাঙ্গুনিয়া’র পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা
মাস্টার্স (ব্যবস্থাপনা) ফাইনাল পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করায় শ্রী অর্ণব মল্লিককে ‘চলমান রাঙ্গুনিয়া’ পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
শিক্ষা, সংগীত, সংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে তাঁর এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকুক। আগামী দিনে তাঁর মেধা, প্রতিভা ও কর্মনিষ্ঠা আরও বিকশিত হয়ে সমাজ ও দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখুক—এই প্রত্যাশা ‘চলমান রাঙ্গুনিয়া’ পরিবারের।