বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদুয়ায় কলাবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃ”ত্যু রাঙ্গুনিয়ায় এক দিনে সাড়ে ৫ হাজার গাছের চারা রোপণ কাপ্তাই সড়কে প্রতিরাতেই ঝুঁকি নিয়ে চলে অতিরিক্ত উচ্চতার ট্রাক, ছিঁড়ল বিদ্যুতের তার তিন দশকের পাঠদান শেষে বিদায়, সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত অধ্যাপক মহসিন শাসনের নামে নির্যাতন, এ কেমন শিক্ষা? রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জসীমের মৃ’ত্যু মরিয়মনগরের ব্যস্ত সড়কে স্পিডব্রেকার, অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন রাজানগরে কাটা হচ্ছে পাহাড় আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি কামনায় দেবীর আরাধনায় ভক্তরা আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা: বর্ষাবাস শেষে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়

আপনার ঘরের নরম আশ্রয়গুলো কি সত্যিই নিরাপদ? সতর্ক থাকুন ডাস্ট মাইট থেকে

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে

আমরা প্রতিদিন যে সোফায় বসি, যে বালিশে মাথা রেখে ঘুমাই, যে কম্বল ব্যবহার করি—সেগুলো কি সবসময় পরিষ্কার ও নিরাপদ?
অনেক সময় হঠাৎ করেই হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ চুলকানো বা লাল হয়ে যাওয়া, গলা খুসখুস করা কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেই এটিকে শুধু ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব মনে করেন। কিন্তু এর একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে ডাস্ট মাইট।
ডাস্ট মাইট হলো অতি ক্ষুদ্র এক ধরনের জীব, যা খালি চোখে দেখা যায় না। এরা সাধারণত বালিশ, ম্যাট্রেস, চাদর, কম্বল, সোফা, কার্পেট, পর্দা এবং নরম খেলনায় বেশি থাকে। উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে এদের বংশবিস্তার দ্রুত হয়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডাস্ট মাইট নিজে সাধারণত কামড়ায় না। তবে এদের দেহের অংশ ও বর্জ্যে থাকা অ্যালার্জেন অনেক মানুষের শরীরে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, হাঁপানি বা অ্যালার্জিতে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে সমস্যা বেশি দেখা যায়।
সম্ভাব্য উপসর্গ
ঘন ঘন হাঁচি, সর্দি বা নাক দিয়ে পানি পড়া
চোখ লাল হওয়া ও চুলকানি
ত্বকে র‍্যাশ বা একজিমা
গলা খুসখুস করা
শ্বাস নিতে কষ্ট বা হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যাওয়া
শিশুদের বারবার ঠান্ডাজনিত সমস্যা
বর্ষাকালে উপসর্গের তীব্রতা বৃদ্ধি
ডাস্ট মাইট নিয়ন্ত্রণে করণীয়
১. প্রতিদিন কিছু সময় জানালা খুলে ঘরে আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করুন। ২. সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের কভার ও প্রয়োজনীয় কাপড় গরম পানিতে ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। ৩. ফ্যান, কার্পেট, পর্দা ও আসবাবপত্র নিয়মিত পরিষ্কার করুন। ৪. ঘরের ভেতরে ভেজা কাপড় শুকানো এড়িয়ে চলুন এবং আর্দ্রতা কম রাখুন। ৫. সম্ভব হলে ঘরের আর্দ্রতা ৫০ শতাংশের নিচে রাখুন। ৬. অ্যালার্জিতে আক্রান্তদের জন্য HEPA ফিল্টারযুক্ত এয়ার পিউরিফায়ার উপকারী হতে পারে। ৭. বিছানা ও ঘরে পর্যাপ্ত বায়ুচলাচল নিশ্চিত করুন। ৮. ডাস্ট-মাইট-প্রতিরোধী ম্যাট্রেস ও বালিশের কভার ব্যবহার করা যেতে পারে। ৯. শিশুদের নরম খেলনা নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার রাখুন। ১০. দীর্ঘদিন অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজন হলে অ্যালার্জি পরীক্ষা করান।
মনে রাখবেন
ডাস্ট মাইট অনেকের জন্য অ্যালার্জির একটি সাধারণ কারণ। তবে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করলে এর প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব।
সুস্থ থাকার জন্য আজই নিজের বিছানা, বালিশ, সোফা ও ঘরের অন্যান্য নরম আসবাব পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews