বিশ্বমঞ্চে নিজের প্রভাব আবারও প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু কাজ হয়নি। তার কূটনৈতিক তৎপরতায় ক্ষমতার সীমাবদ্ধতাই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তার পেছনে দায়ী। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে কঠোর ভাষণের পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ট্রাম্প, কিন্তু তাতেও বড় কোনো অগ্রগতি আসেনি। যা ব্যর্থতা তুল্য।
চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প ইরানকে চুক্তিতে রাজি না হলে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকি দেন। একই সঙ্গে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে তার কঠোর নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, ‘বিজয়ীরাই লুটের মাল পায়।’ আন্তর্জাতিক লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিতও দেন তিনি।
তবে তার এমন কঠোর অবস্থানের বিপরীতে বিভিন্ন দেশের নেতাদের কাছ থেকে প্রতিরোধ দেখা যাচ্ছে। ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় ও এশীয় মিত্রদের অনেকেই ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে।