বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পদুয়ায় কলাবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃ”ত্যু রাঙ্গুনিয়ায় এক দিনে সাড়ে ৫ হাজার গাছের চারা রোপণ কাপ্তাই সড়কে প্রতিরাতেই ঝুঁকি নিয়ে চলে অতিরিক্ত উচ্চতার ট্রাক, ছিঁড়ল বিদ্যুতের তার তিন দশকের পাঠদান শেষে বিদায়, সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত অধ্যাপক মহসিন শাসনের নামে নির্যাতন, এ কেমন শিক্ষা? রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জসীমের মৃ’ত্যু মরিয়মনগরের ব্যস্ত সড়কে স্পিডব্রেকার, অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন রাজানগরে কাটা হচ্ছে পাহাড় আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি কামনায় দেবীর আরাধনায় ভক্তরা আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা: বর্ষাবাস শেষে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়

রাঙ্গুনিয়ায় ফুটবল উন্মাদনা: জায়ান্ট স্ক্রিনে একসঙ্গে প্রচুর দর্শক, ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হলেন হুমাম কাদের এমপি

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল মানেই অন্যরকম আবেগ, উন্মাদনা আর উৎসবের আমেজ। সেই আবহ ছড়িয়ে দিতে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা উপভোগের বিশেষ অনুষ্ঠান। সেখানে একসঙ্গে জড়ো হন শত শত ফুটবলপ্রেমী। শিশু থেকে প্রবীণ, সবাই এক সাথে বসে উপভোগ করেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াই।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী। তিনি উপস্থিত দর্শকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, খেলাধুলা মানুষে মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। জয়-পরাজয় খেলারই অংশ, তাই সবাইকে খেলাকে খেলার মনোভাবেই উপভোগ করার আহ্বান জানান তিনি।
রাঙ্গুনিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসান বলেন, “খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। উপজেলা প্রশাসনের লক্ষ্য ছিল ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে একসঙ্গে বিশ্বকাপের ফাইনাল উপভোগের সুযোগ করে দেওয়া। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের এই উদ্যোগকে সফল করেছে।”
উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সন্ধ্যা থেকেই দর্শকদের ঢল নামে। প্রিয় দলের জার্সি, পতাকা আর উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা যেন ছোট্ট এক ফুটবল উৎসবে পরিণত হয়। প্রতিটি আক্রমণ, গোলের সুযোগ কিংবা রোমাঞ্চকর মুহূর্তে দর্শকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ।
উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ শুধু খেলা দেখার আয়োজনেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি ছিল সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য উদাহরণ। ভিন্ন মত, ভিন্ন বয়স ও ভিন্ন পেশার মানুষ একসঙ্গে বসে একই আবেগে খেলা উপভোগ করেন ও রাতের খাবার খান। খেলা শুরুর আগে চলে সাংষ্কৃতিক আয়োজন। যা পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা জানান, এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং সামাজিক বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে। অনেকেই উপজেলা প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
রাঙ্গুনিয়ার ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিশ্বকাপের ফাইনাল রাতটি তাই শুধু একটি ম্যাচ নয়, বরং স্মরণীয় এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews