বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদুয়ায় কলাবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃ”ত্যু রাঙ্গুনিয়ায় এক দিনে সাড়ে ৫ হাজার গাছের চারা রোপণ কাপ্তাই সড়কে প্রতিরাতেই ঝুঁকি নিয়ে চলে অতিরিক্ত উচ্চতার ট্রাক, ছিঁড়ল বিদ্যুতের তার তিন দশকের পাঠদান শেষে বিদায়, সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত অধ্যাপক মহসিন শাসনের নামে নির্যাতন, এ কেমন শিক্ষা? রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জসীমের মৃ’ত্যু মরিয়মনগরের ব্যস্ত সড়কে স্পিডব্রেকার, অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন রাজানগরে কাটা হচ্ছে পাহাড় আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি কামনায় দেবীর আরাধনায় ভক্তরা আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা: বর্ষাবাস শেষে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়

রাঙ্গুনিয়ায় প্রবাসফেরত ব্যক্তিকে হত্যা, গ্রেপ্তার স্ত্রী-ছেলে

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ৪১৭ বার পড়া হয়েছে

চলমান রাঙ্গুনিয়া প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় প্রবাসফেরত মো. আলমগীর (৪০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিহতের স্ত্রী রহিমা বেগম (৩৫) ও ছেলে রবিউল হাসান রাকিবকে (১৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘ধামা দা’।
শুক্রবার (১ মে) দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিলাল উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ এপ্রিল রাত সোয়া ১টার দিকে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার উত্তর পদুয়া কামারটিলা এলাকায় নিজ বাড়ির দরজার সামনে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন আলমগীর। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খানের নির্দেশনায় একটি তদন্ত দল গঠন করা হয়। অভিযানে শুক্রবার ভোরে উত্তর পদুয়া এলাকা থেকে নিহতের স্ত্রী ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ থেকেই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত। প্রায় ১৮-১৯ বছর আগে রহিমাকে বিয়ে করেন আলমগীর। পরে দ্বিতীয় বিয়ে করায় তাদের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে রহিমা দুই সন্তানকে নিয়ে চট্টগ্রাম শহরে চলে যান।
প্রায় ৮-৯ মাস আগে আলমগীর দেশে ফিরে প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের আবার বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে এরপরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
ঘটনার রাতে ঝগড়ার একপর্যায়ে আলমগীর স্ত্রীর মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেন এবং দা নিয়ে ভয়ভীতি দেখান বলে পুলিশের দাবি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রী ও ছেলে মিলে ঘরে থাকা ধামা দা দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে জখম করেন।
পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে প্রতিবেশীদের কাছে দাবি করা হয়, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা আলমগীরকে কুপিয়ে পালিয়ে গেছে। তবে ঘটনাস্থলের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরিবারের সদস্যদের ওপর সন্দেহ হয় পুলিশের।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার মা-ছেলে হত্যার দায় স্বীকার করেন এবং তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews