রাঙ্গুনিয়ায় একটি বসতঘরে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বার আউলিয়া নগর এলাকায় মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের বাড়িতে শনিবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাতে এ চুরি হয় বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।
চুরি যাওয়া মালামালের মধ্যে প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার, ছেলের একটি অনুষ্ঠানে পাওয়া ১৩টি আংটি এবং নগদ প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা রয়েছে বলে পরিবারটির দাবি।
খোরশেদ আলম বলেন, বৃহস্পতিবার তিনি সপরিবারে রাঙ্গামাটিতে শ্বশুরবাড়িতে যান। শুক্রবার রাতে বাড়িতে ফিরে শনিবার সকালে আবার রাঙ্গামাটিতে চলে যান। এ সময় বাড়িটি ফাঁকা থাকার সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে চুরি করেছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
রোববার সকাল ১০টার দিকে বাড়িতে ফিরে তিনি দরজা-জানালা ও ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো দেখতে পান। পরে আলমিরাগুলোর তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা প্রথমে মেয়ে ও ছেলের কক্ষের আলমিরা তল্লাশি করে। পরে শয়নকক্ষের আলমিরার তালা ভেঙে স্বর্ণালংকার, ১৩টি আংটি ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। আরেকটি আলমিরা থেকে আরও ২৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
খোরশেদ আলমের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, দীর্ঘ ১৯ বছরের সংসারজীবনে জমানো প্রায় ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে। এতে তাঁরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলমিরা ভাঙা ও ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখেছেন বলে জানান।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
খোরশেদ আলম জানান, এ ঘটনায় রাঙ্গুনিয়া থানায় অভিযোগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার ও টাকা উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চান তিনি।