আব্বাস হোসাইন আফতাব :
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন রাঙ্গুনিয়ার প্রবাসী যুবক মো. ইমরান হোসেন ছোটন (৩৫)। জীবিকার তাগিদে দূর প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। স্বপ্ন ছিল পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর। কিন্তু সেই প্রবাস থেকেই এবার তাঁর ফিরতে হচ্ছে নিথর দেহে।
রোববার কাতারের স্থানীয় সময় রাতে বাইক চালানোর সময় দুর্ঘটনার শিকার হন ছোটন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ এখনো জানা যায়নি।
ছোটন রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. আকতার হোসেনের ছেলে। তবে তাঁদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর ঘাটচেক এলাকায় বসবাস করে আসছে।
স্বজনদের কাছে ছোটনের মৃত্যু যেন হঠাৎ নেমে আসা এক দুঃসংবাদ। পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে, আপনজনদের জন্য কিছুটা স্বস্তির জীবন নিশ্চিত করতে যে যুবক বিদেশে গিয়েছিলেন, তাঁর মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় এখন স্বজনেরা।
প্রবাসে থাকা একজন মানুষের আকস্মিক মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের স্বপ্নকেই থামিয়ে দেয় না, বদলে দেয় পুরো পরিবারের ভবিষ্যৎ। ছোটনের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোক।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ছোটনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর রাঙ্গুনিয়ায় জানাজা শেষে দাফন করা হবে।
স্বজনদের এখন একটাই অপেক্ষা প্রিয় ছোটন ফিরবেন, তবে জীবন্ত নয়, ফিরবেন শেষবারের মতো আপন ঠিকানায়।