নিজস্ব প্রতিবেদক : মানুষের জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময় কেটে যায় ঘুমের মধ্যে। সেই ঘুমই কখনও কখনও হয়ে উঠতে পারে মৃত্যুঝুঁকির কারণ। অথচ বিষয়টি সম্পর্কে সচেতনতা এখনও খুবই সীমিত। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য ইস্যুকে সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরে প্রশংসা কুড়িয়েছেন রাঙ্গামাটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও নবজাতক এবং শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এম. এ. মোরশেদ।
তাঁর লেখা “ঘুমের মধ্যে যে রোগে মৃত্যু হতে পারে, প্রতিরোধ কী সম্ভব?” শীর্ষক নিবন্ধটি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখায় পাক্ষিক চলমান রাঙ্গুনিয়া পত্রিকার বর্ষপূর্তি সম্মাননা ২০২৬-এ মুক্তমত বিভাগে স্বাস্থ্যবিষয়ক লেখায় সেরা পুরস্কার অর্জন করেছে।
বর্তমান সময়ে নানা অসংক্রামক রোগ, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং ঘুমসংক্রান্ত জটিলতা মানুষের জীবনে নতুন নতুন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। এসব বিষয়ে চিকিৎসকদের দায়িত্ব শুধু হাসপাতালের কক্ষেই সীমাবদ্ধ নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই ডা. এম. এ. মোরশেদ তাঁর লেখায় ঘুমের মধ্যে মৃত্যুঝুঁকির কারণ, সতর্কসংকেত, প্রতিরোধের উপায় এবং সময়মতো চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
জটিল চিকিৎসাবিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় উপস্থাপন করার দক্ষতা তাঁর লেখাকে করেছে ব্যতিক্রমী। পাঠক শুধু একটি স্বাস্থ্য নিবন্ধই পড়েননি, বরং নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় সচেতনতাও অর্জন করেছেন।
স্বাস্থ্যবিষয়ক দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণমূলক লেখালেখির স্বীকৃতি হিসেবে পাক্ষিক চলমান রাঙ্গুনিয়া পত্রিকার সম্পাদক আব্বাস হোসাইন আফতাব তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। এটি কেবল একজন চিকিৎসকের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং সমাজে স্বাস্থ্যসচেতনতা গড়ে তোলার প্রয়াসেরও স্বীকৃতি।
ডা. এম. এ. মোরশেদের এ অর্জন ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে গবেষণাভিত্তিক ও সচেতনতামূলক লেখালেখিকে আরও সমৃদ্ধ করবে, এমন প্রত্যাশা পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের।