রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কোদালা ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি গ্রামের শতাধিক বসতবাড়ি ভয়াবহ কর্ণফুলী নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শ্মশান এবং বিভিন্ন স্থাপনাও নদীভাঙনের তীব্র ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কর্ণফুলী নদীর পানি ও স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় কোদালা অংশে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
কোদালা রাইখালী সোলতানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল আজিম বলেন, “টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কর্ণফুলী নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীপাড়ের শত শত বসতবাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় মানুষ দিশেহারা। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার তাদের সহায়-সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, দ্রুত কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, নদীভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত সরকারি উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে আরও ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।