একটি ভুল সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে একটি মানুষের জীবন। নেশার ক্ষণিকের মোহে জড়িয়ে পড়ে পরিবার, সমাজ ও নিজের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেন অনেকে। চ রাঙ্গুনিয়ায় শুক্রবার (৩১ জুলাই) এমনই এক ঘটনার পরিণতি হলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ে।দুপুরে উপজেলার চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হাসান। অভিযানে চোলাই মদ সেবনের দায়ে মো. সহিদুল ইসলাম (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।সহিদুল ইসলাম চন্দ্রঘোনা- কদমতলী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের খন্দকারপাড়া এলাকার মৃত আজিজুর ইসলামের ছেলে।অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারায় তাঁকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে সহযোগিতা করেন রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশ। প্রশাসন ও পুলিশের ভাষ্য, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই মাদক সেবন ও মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক সেবন কিংবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত সচেতনতা এবং তরুণদের সুস্থ সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়ামুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিবেদন- আব্বাস হোসাইন আফতাব