শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন কুঁড়ি সিজন-২ উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ায় ১৫ দিনের ফ্রি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শেষ দুই যুগ পর আবারও ‘চোরের শিং’! স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়ার সাহা পাড়ায় গভীর রাতে চুরি যে খালে ফিরছে প্রাণ সরকারি চাকরিতে কমছে লিখিতের নম্বর, বাড়ছে ভাইভার গুরুত্ব পর্যটক আকৃষ্ট করতে আগে রাঙ্গুনিয়াকে পরিষ্কার করতে হবে- হুমাম কাদের এমপি ৬ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে রাঙ্গুনিয়ায় খাল পরিষ্কারে এমপি হুমাম কাদের রাঙ্গুনিয়া পাইলট স্কুলে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা সংবর্ধিত রাঙ্গুনিয়ায় বিআইজেড স্কুলে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন রাঙ্গুনিয়ায় ৫৩ প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে কার্প জাতীয় পোনা মাছ বিতরণ রাঙ্গুনিয়ায় একমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলেখা রানী সাহার মৃত্যু

বহু বছরের অভিযোগ, অবশেষে গ্রেপ্তার: রাঙ্গুনিয়ায় আলোচিত জলিক্কাকে ঘিরে স্বস্তি ও নতুন প্রত্যাশা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের ঘাগড়াকূল এলাকার বাসিন্দা আজিজুল হক ওরফে জলিক্কা (৫৬) দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মাদক কারবারের অভিযোগ নতুন নয়। বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠলেও এবার পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এলাকায় স্বস্তির অনুভূতি প্রকাশ করছেন অনেক বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, চট্টগ্রাম সহকারী পুলিশ সুপার (রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের তত্ত্বাবধানে এবং রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে আজিজুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে ধরে পুলিশকে খবর দেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক কেনাবেচার অভিযোগ প্রচলিত ছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
এলাকার প্রবীণ এক বাসিন্দা বলেন, ‘অনেক বছর ধরে নানা অভিযোগ শুনে আসছি। কিন্তু এবার গ্রেপ্তারের ঘটনায় মনে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও সক্রিয় হয়েছে।’
স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি প্রকাশ্যে আর মাদক ব্যবসা করবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। এরপরও তার বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত পুলিশের অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হন।
গ্রেপ্তারের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তির পাশাপাশি নতুন প্রত্যাশাও তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, শুধু একজনকে গ্রেপ্তার করলেই হবে না, মাদক সরবরাহ ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
সচেতন নাগরিকদের মতে, মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামাজিক প্রতিরোধ একসঙ্গে জোরদার করা প্রয়োজন। তাহলেই তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews