রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা ফেসবুকের কল্যাণে হারানো টাকা ফিরে পেলেন জামাল রাঙ্গুনিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জ্বালানি সংকটে ৬ মাসেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার: জামায়াত আমির জামায়াতের সঙ্গে আলাপ করেই গুলশানে মিছিল করেছে আ. লীগ: রাশেদ খাঁন ডেঙ্গুর ডেন-৩ ধরনে বাড়ছে ঝুঁকি, অক্টোবরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা শিল্পে সংকট ঠেকাতে ১৫০ কূপ খনন ও নতুন এলএন রাঙ্গুনিয়ায় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঘুরে দেখলেন বিভাগীয় কমিশনার নতুন কুঁড়ি সিজন-২ উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ায় ১৫ দিনের ফ্রি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শেষ দুই যুগ পর আবারও ‘চোরের শিং’! স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়ার সাহা পাড়ায় গভীর রাতে চুরি

টানা বর্ষণের পর ইছামতী নদীর ভাঙনের কবলে রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার দুই ওয়ার্ড

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে

টানা বর্ষণের পর রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ইছামতী নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড শান্তিনিকেতন এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘাটচেক গ্রামের বিভিন্ন এলাকা নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। নদীর তীব্র স্রোতে পাড়ের বিভিন্ন অংশ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় বসতভিটা, আবাদি জমি ও স্থানীয় সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। ফলে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নদীর স্রোত বেড়ে যাওয়ায় ভাঙনের তীব্রতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন স্থানে ফাটল দেখা দিচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বহু পরিবার ঘরবাড়ি ও জমিজমা হারানোর আশঙ্কা করছেন তারা।
৬ নম্বর ওয়ার্ড এর বাসিন্দা অন্তর বৈদ্য বলেন, “টানা বর্ষণের পর নদীর ভাঙন অনেক বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই নদী আমাদের বসতভিটার দিকে এগিয়ে আসছে। দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে অনেক পরিবার সর্বস্ব হারাবে।”
৪ নম্বর ওয়ার্ড এর বাসিন্দা সুজয় বড়ুয়া বলেন, “ভাঙনের কারণে আমরা চরম আতঙ্কে আছি। ইতোমধ্যে নদীর পাড়ের অনেক অংশ ভেঙে গেছে। দ্রুত স্থায়ীভাবে নদীতীর সংরক্ষণের ব্যবস্থা না নিলে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়বে।”
এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) শামসুল আরেফিন বলেন, “ইছামতী নদীর ভাঙনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হবে। পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় প্রকৌশলগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।”
এলাকাবাসীর দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ অংশে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ, কংক্রিট ব্লক বা স্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হোক। অন্যথায় ভাঙনের কারণে আরও বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews