শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন কুঁড়ি সিজন-২ উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ায় ১৫ দিনের ফ্রি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শেষ দুই যুগ পর আবারও ‘চোরের শিং’! স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়ার সাহা পাড়ায় গভীর রাতে চুরি যে খালে ফিরছে প্রাণ সরকারি চাকরিতে কমছে লিখিতের নম্বর, বাড়ছে ভাইভার গুরুত্ব পর্যটক আকৃষ্ট করতে আগে রাঙ্গুনিয়াকে পরিষ্কার করতে হবে- হুমাম কাদের এমপি ৬ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে রাঙ্গুনিয়ায় খাল পরিষ্কারে এমপি হুমাম কাদের রাঙ্গুনিয়া পাইলট স্কুলে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা সংবর্ধিত রাঙ্গুনিয়ায় বিআইজেড স্কুলে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন রাঙ্গুনিয়ায় ৫৩ প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে কার্প জাতীয় পোনা মাছ বিতরণ রাঙ্গুনিয়ায় একমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলেখা রানী সাহার মৃত্যু

অন্ধকার নদীপথে ইউএনওর সাহসী অভিযান, ড্রেজার ফেলে পালাল বালুখেকোরা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ১টা। অধিকাংশ মানুষ তখন গভীর ঘুমে। কর্ণফুলী নদীর বুকেও নেমে এসেছে নিস্তব্ধতা। তবে সেই নীরবতার আড়ালে চলছিল অবৈধ বালু উত্তোলনের কর্মযজ্ঞ। ঠিক এমন সময় একটি গোপন তথ্য পৌঁছে যায় রাঙ্গুনিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসানের কাছে।
অভিযোগ পাওয়ার পর ভোরের অপেক্ষা করেননি তিনি। রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় রাতেই নৌকাযোগে অভিযানে বেরিয়ে পড়েন। অন্ধকার নদীপথ পেরিয়ে প্রশাসনের নৌকা যখন বেতাগী ইউনিয়নের কর্ণফুলী এলাকার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখনই বালু উত্তোলনকারীরা অভিযানের খবর পেয়ে যায়।
প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ব্যবহৃত ড্রেজার ও অন্যান্য সরঞ্জাম ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। নদীর বুকে পড়ে থাকে অবৈধ বালু উত্তোলনের চিহ্ন, আর পালিয়ে যায় এর সঙ্গে জড়িতরা।
স্থানীয়দের মতে, কর্ণফুলী নদীতে দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের এমন আকস্মিক অভিযান খুব একটা দেখা যায় না।
তাই গভীর রাতে ইউএনওর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযান স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে শুধু একটি প্রশাসনিক অভিযান নয়, বরং নদী ও পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্ববোধের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
নদী বাঁচলে বাঁচবে জনপদ এই বাস্তবতা সামনে রেখে কর্ণফুলীকে অবৈধ বালু উত্তোলনের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের এমন তৎপরতা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, অভিযানের খবর শুনে পালিয়ে যাওয়া বালুখেকোদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কর্ণফুলী নদীকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষায় আরও কঠোর নজরদারি চালানো হবে। প্রতিবেদন- আব্বাস হোসাইন আফতাব

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews