বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পদুয়ায় কলাবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃ”ত্যু রাঙ্গুনিয়ায় এক দিনে সাড়ে ৫ হাজার গাছের চারা রোপণ কাপ্তাই সড়কে প্রতিরাতেই ঝুঁকি নিয়ে চলে অতিরিক্ত উচ্চতার ট্রাক, ছিঁড়ল বিদ্যুতের তার তিন দশকের পাঠদান শেষে বিদায়, সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত অধ্যাপক মহসিন শাসনের নামে নির্যাতন, এ কেমন শিক্ষা? রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জসীমের মৃ’ত্যু মরিয়মনগরের ব্যস্ত সড়কে স্পিডব্রেকার, অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন রাজানগরে কাটা হচ্ছে পাহাড় আজ কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা, ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি কামনায় দেবীর আরাধনায় ভক্তরা আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা: বর্ষাবাস শেষে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়

অন্ধকার নদীপথে ইউএনওর সাহসী অভিযান, ড্রেজার ফেলে পালাল বালুখেকোরা

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

বুধবার (৩ জুন) দিনগত রাত ১টা। অধিকাংশ মানুষ তখন গভীর ঘুমে। কর্ণফুলী নদীর বুকেও নেমে এসেছে নিস্তব্ধতা। তবে সেই নীরবতার আড়ালে চলছিল অবৈধ বালু উত্তোলনের কর্মযজ্ঞ। ঠিক এমন সময় একটি গোপন তথ্য পৌঁছে যায় রাঙ্গুনিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসানের কাছে।
অভিযোগ পাওয়ার পর ভোরের অপেক্ষা করেননি তিনি। রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশের সহযোগিতায় রাতেই নৌকাযোগে অভিযানে বেরিয়ে পড়েন। অন্ধকার নদীপথ পেরিয়ে প্রশাসনের নৌকা যখন বেতাগী ইউনিয়নের কর্ণফুলী এলাকার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখনই বালু উত্তোলনকারীরা অভিযানের খবর পেয়ে যায়।
প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা ব্যবহৃত ড্রেজার ও অন্যান্য সরঞ্জাম ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। নদীর বুকে পড়ে থাকে অবৈধ বালু উত্তোলনের চিহ্ন, আর পালিয়ে যায় এর সঙ্গে জড়িতরা।
স্থানীয়দের মতে, কর্ণফুলী নদীতে দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের এমন আকস্মিক অভিযান খুব একটা দেখা যায় না।
তাই গভীর রাতে ইউএনওর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযান স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে শুধু একটি প্রশাসনিক অভিযান নয়, বরং নদী ও পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্ববোধের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
নদী বাঁচলে বাঁচবে জনপদ এই বাস্তবতা সামনে রেখে কর্ণফুলীকে অবৈধ বালু উত্তোলনের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের এমন তৎপরতা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, অভিযানের খবর শুনে পালিয়ে যাওয়া বালুখেকোদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কর্ণফুলী নদীকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষায় আরও কঠোর নজরদারি চালানো হবে। প্রতিবেদন- আব্বাস হোসাইন আফতাব

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews