
কৃষি ডেস্ক: কৃষক কার্ড কার্যক্রমের দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১)-এর সহকারী প্রকল্প পরিচালক মো. মাসুদুর রহমানকে কৃষি মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, কৃষক কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নের স্বার্থে তাকে কৃষি মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এ প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়।
কৃষক কার্ড সরকারের একটি ডিজিটাল পরিচয় ও সেবাভিত্তিক কর্মসূচি, যার মাধ্যমে কৃষকদের তথ্যভান্ডার তৈরি করা হচ্ছে। এ কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা বার্ষিক নগদ সহায়তা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, ভর্তুকিপ্রাপ্ত কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা এবং অন্যান্য কৃষি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রথম ধাপে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষকের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। সরকারের কৃষি খাতে ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ ও কৃষকদের কল্যাণে এ কর্মসূচিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মো. মাসুদুর রহমান একজন দক্ষ, সৎ ও জনবান্ধব প্রশাসক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন। করোনা মহামারির সংকটকালে জনসচেতনতা সৃষ্টি, স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন, ত্রাণ বিতরণ এবং জরুরি প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে একাধিক সফল অভিযান পরিচালনা, সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মানবিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের আস্থা ও প্রশংসা অর্জন করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, মাঠ প্রশাসনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ড এবং কৃষকবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নের সক্ষমতার কারণে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচির দায়িত্বে মো. মাসুদুর রহমানের নিয়োগ একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। তার নেতৃত্বে এ কর্মসূচির বাস্তবায়ন আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।